চীন চাঁদে অনুসন্ধানী নভোযান পাঠাবে
১ আগস্ট, ২০১২ ৬:৩৯ অপরাহ্ণ
-

চীন আগামী বছর প্রথমবারের মতো চন্দ্রপৃষ্ঠে একটি অনুসন্ধানী নভোযান পাঠানোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। এএফপি, সিনহুয়া। চীনের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সিনহুয়া সোমবার রাতে জানায়, ২০১৩ সালের দ্বিতীয়ার্ধে চীনের তৃতীয় চন্দ্র অনুসন্ধান যান যাত্রা শুরু করবে। অন্যান্য রিপোর্টে বলা হয়, এই অনুসন্ধানী যানটি চন্দ্রপৃষ্ঠের জরিপের তথ্য পাঠাবে।
সফল হলে এটি হবে চন্দ্রপৃষ্ঠে চীনের প্রথম অবতরণ এবং চন্দ্র অভিযানের ক্ষেত্রে এক নতুন মাইলফলক।
সিনহুয়া জানায়, কক্ষপথে নভোযান পাঠানোর প্রকল্পের অংশ হিসেবে এই চন্দ্রযানটি চন্দ্রপৃষ্ঠে জরিপ সম্পন্ন করার পর আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে।
চীন তার মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত সর্বশেষ শ্বেতপত্রে বলেছে, দেশটি চাঁদে মানুষ পাঠানোর ব্যাপারে কাজ করছে। তবে তারা এ ব্যাপারে নির্দিষ্ট কোনো তারিখ উল্লেখ করেনি।
বেইজিং তাদের কোটি কোটি ডলারের মহাকাশ কর্মসূচিকে তাদের বৈশ্বিক মর্যাদা ও ক্রমবর্ধমান কারিগরি দক্ষতার প্রতীক হিসেবে এবং চীনের সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সাফল্য হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। ১৯৯৯ সালে মানববিহীন শেলঝু-১ উেক্ষপণের মাধ্যমের চীন তাদের মহাকাশ কর্মসূচি শুরু করে। এর দু’বছর পর ছোট প্রাণী নিয়ে উড্ডয়ন করে করে শেলঝু-২। আর ২০০৩ সালে চীন প্রথমবারের মতো মহাকাশে মানুষ পাঠাতে সক্ষম হয়। এর পরে তারা ২০০৮ সালে মহাকাশে হাঁটা সম্পন্ন করে এবং গত বছর তারা একটি মডিউল রকেটের মধ্যে মানববিহীন ডকিংয়ে সফল হয়।
সম্প্রতি চীনের শেলঝু-৯ মহাকাশ যান ১৩ দিনের মহাকাশ অভিযান সম্পন্ন করে। এই অভিযানে চীন দুই পুরুষ সহকর্মীর সঙ্গে একজন নারী নভোচারীকে মহাকাশে পাঠানোর কৃতিত্ব অর্জন করে।
এই তিন নভোচারী মহাকাশে প্রশিক্ষণরত মডিউলের ম্যানুয়েল ডকিংয়ে সাফল্য অর্জন করে।
এর আগে চীন চাঙ্গে-১ ও চাঙ্গে-২ নামে যথাক্রমে ২০০৭ ও ২০১০ সালে দুটি চন্দ্রযান প্রেরণ করে। চীনের চন্দ্রদেবীর নামে এ যানটির নামকরণ করা হয়। প্রকল্পটি সাবলীল গতিতে এগিয়ে চলছে বলে জানা যায়।

পাঠকের মন্তব্য