হীরার খোঁজে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডে
৭ আগস্ট, ২০১২ ৬:০৯ অপরাহ্ণ
-

মূল্যবান পাথর হিসেবে আদিকাল থেকেই সমাদৃত হয়ে আসছে ডায়মন্ড বা হীরা। এটি পৃথিবীর সবচেয়ে দামি পাথরগুলোর অন্যতম। হীরাকে নিয়ে মানুষের কৌতূহল আর আগ্রহের শেষ নেই। এক সময় রাজা-বাদশারা মুকুট ও সিংহাসনে হীরা ব্যবহার করতেন। এখন হীরা বেচাকেনা হচ্ছে বাংলাদেশের বিভিন্ন মার্কেটেও। রাজধানীর গুলশান-১-এ ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডে পাওয়া যাচ্ছে হীরার অলঙ্কার। দেশে যখন হীরার ব্যবহার শুরু হয় তখন কেবল ধনাঢ্য ব্যক্তিরাই আভিজাত্যের প্রতীক হিসেবে সেটি ব্যবহার করতেন। বর্তমানে হীরা আর অভিজাত শ্রেণীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সাধারণ মানুষের নাগালে চলে এসেছে। কাজটি করেছে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড, ‘দ্য আর্ট অব বিউটি’-এই স্লোগানকে সামনে রেখে যার যাত্রা শুরু সাত বছর আগে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দফায় দফায় স্বর্ণের দাম বাড়ায় হীরার চাহিদা বেড়েছে। ফ্যাশনপ্রিয় তরুণ-তরুণীদের এখন প্রথম পছন্দ হীরার গহনা। বাগদান অনুষ্ঠানে হীরার আংটি ব্যবহার এখন স্বাভাবিক বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এ কারণে স্বর্ণের পরিবর্তে এখন অনেকেই ঝুঁকে পড়ছেন হীরার গহনার দিকে।


বর্তমানে দেশের প্রায় সব বড় স্বর্ণের দোকানেই হীরার গহনা পাওয়া যাচ্ছে। তবে ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ড এখন এ দেশে এক সুপরিচিত নাম। এখানে বিভিন্ন দামের হীরা ও সোনার গহনা রয়েছে। ডায়মন্ড ব্রাইডাল কালেকশন, ব্রিলিয়ান্স কালেকশন (এ কালেকশন কেবল ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডেরই আছে), এর মধ্যে রয়েছে কানের দুল, আংটি ও গলার চেইন, রোজকাট, ব্যাঙ্গেল চুড়ি, রোজকাট কুন্দন কালেকশনসহ সর্বমোট ১০ হাজারেরও বেশি কালেকশন রয়েছে। এর মধ্যে হাতের রিংই রয়েছে চার হাজারের অধিক। উচ্চবিত্তের পাশাপাশি মধ্যবিত্তের সামর্থ্যের দিকে খেয়াল রেখেই বিভিন্ন আইটেমের দাম রাখা হয়েছে। মাত্র ৩ হাজার ৪০০ টাকায় ৫ সেন্টের নোজপিন, সাত পাথরের নোজপিন ৪ হাজার ৫০০, লকেট সর্বনিম্ন ৬ হাজার, ফিঙ্গার রিং সর্বনিম্ন ১২ হাজার, কানের দুল সর্বনিম্ন ১২ হাজার, পেন্ডেন্ট সেট সর্বনিম্ন ১৯ হাজার, ৪৭ হাজার টাকার মধ্যে নেকলেস সেট (শর্ট নেকলেস), ৫০ হাজার টাকার মধ্যে ব্রেসলেট, নেকলেস সেট, ফিঙ্গার রিং ও নোজপিন ম্যারেজ কালেকশন সেট, ইংলিশ অক্ষর এ থেকে জেড পর্যন্ত লকেট ১৪ হাজার টাকা। ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের হেড অব মার্কেটিং রিপন হাসান জানান, ‘বাংলাদেশের হীরার বাজারে ডায়মন্ড ওয়াল্ডই প্রবর্তক। আমাদের ক্রেতা সারা দেশেই। উচ্চবিত্তরা প্রধান ক্রেতা হলেও এখন দাম সর্বসাধারণের কাছে উন্মুক্ত করার ফলে মধ্যবিত্তরাও সাদরে কিনছেন।

পাঠকের মন্তব্য