রবিবার জাবির ক্লাস শুরু; হল খুলছে শনিবার
২৪ আগস্ট, ২০১২ ৭:২৬ অপরাহ্ণ
-

ঈদ ও ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের কারণে দীর্ঘ ২৩ দিন বন্ধ থাকার পর আগামী শনিবার বিকেল চারটায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়া হবে। পরদিন রোববার যথারীতি ক্লাস শুরু হবে। এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং হল প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দফতর থেকে জানানো হয়েছে।

শুক্রবার উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত হল প্রশাসন, প্রক্টরিয়াল টিম ও পদস্থ কর্মকর্তাদের এক সমন্বয় সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভায় উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরহাদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. নাসির উদ্দিন, রেজিস্ট্রার আবু বকর সিদ্দিক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ১ আগস্ট ছাত্র-পুলিশ সংঘর্ষের ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে অচলাবস্থা সৃষ্টি হলে প্রশাসন ঈদের ছুটি ৯ আগস্টের পরিবর্তে এগিয়ে এনে ২ আগস্ট ছুটি ঘোষণা করে।

এদিকে গত ১৪ আগস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রভোস্ট এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের এক সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিবেশ বজায় রাখার লক্ষ্যে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার বিকাল ৪টায় আবাসিক হলগুলো খুলে দেওয়ার পর ছাত্র-ছাত্রীদের সংশ্লিষ্ট হলের আইডি কার্ড দেখিয়ে প্রবেশ করতে হবে। প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত ছাত্রছাত্রীরা হলে প্রবেশ করতে পারবে। এ সময়ে পর্যায়ক্রমে হল প্রশাসনের নির্ধারিত রোস্টার অনুযায়ী আবাসিক শিক্ষকরা হল গেটে উপস্থিত থাকবেন। উক্ত সময় ব্যতীত ছাত্র-ছাত্রীরা হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

বটতলা ও অন্যান্য জায়গায় অবস্থিত খাবার দোকানগুলো রাত ১১টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। এসব দোকানের খাবার স্বাস্থ্যসম্মত ও মানসম্মতভাবে পরিবেশন করতে হবে। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনাক্রমে খাবারের দাম নির্ধারণ করা হবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা বিধানের জন্য কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ক্যাম্পাসে পুলিশ মোতায়েন করা যাবে। কোনো অবস্থাতেই হল কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পুলিশ হলে প্রবেশ করতে পারবে না। কর্তৃপক্ষের সঙ্গে পরামর্শক্রমে পুলিশ বিশ্ববিদ্যালয়সহ ক্যাম্পাসের আশে-পাশের এলাকায় প্রয়োজন অনুযায়ী অভিযান পরিচালনা করতে পারবে।

উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার সুষ্ঠু ও স্বাভাবিক পরিস্থিতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা কামনা করেন।

পাঠকের মন্তব্য