সরকারে পদত্যাগ ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রোডমার্চ এবং জসনভা
২৮ সেপ্টেম্বর, ২০১১ ৩:৩৬ পূর্বাহ্ণ
-

আজ চার দলীয় জোটের  সমাবেশে সরকারে পদত্যাগ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে ১০ই অক্টোবর থেকে ২৬শে অক্টোবর পর্যন্ত বিভাগীয় শহরে রোডমার্চ এবং জসনভার কর্মসূচি দেন বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া  ৷
 নয়াপল্টনে বিএনপি'র কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনের সড়কে এই সমাবেশে বিএনপি'র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া যোগ দেন বিকেল ৪টার দিকে৷ তবে তার আগেই, দুপুর থেকে চার দলের নেতারা মঞ্চে একের পর এক বক্তৃতা দেন৷ বিকেল ৫টার কিছু পরে খালেদা জিয়া তাঁর বক্তৃতা শুরু করেন৷ এক ঘন্টারও বেশি সময় ধরে চলা ঐ বক্তৃতায়, তিনি সরকারের কঠোর সমালোচনা করেন৷ জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম বাড়ানো এবং দ্রব্য মূল্যের ঊর্ধ্বগতির কথা বলে খালেদা দাবি করেন যে, বর্তমান সরকার দেশ চালাতে ব্যর্থ৷ খালেদার দাবি, এই সরকার সংখ্যালঘুদেরও নির্যাতন করছে৷ ঘটেছে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতিও৷ আর সরকার পুলিশ ও ব়্যাবকে দলীয় ক্যাডারের মতো ব্যবহার করছে৷ এছাড়াও যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল বিচারের নামে প্রহসন চলছে বলেও দাবি করেন খালেদা জিয়া৷ সরকারে পদত্যাগ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে রোডমার্চ এবং জনসভার আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি৷ নয়াপল্টনের এই জনসভায় বিএনপি ও জামায়াতসহ চার দলের নেতারা অংশ নিয়ে বক্তব্য রাখেন৷
প্রসঙ্গত, বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রথম, প্রধান বিরোধি দল বিএনপি'র নেতৃত্বে চার দলের নেতারা এক মঞ্চে সমবেত হলেন৷ সমাবেশের কারণে দুপুরের পর থেকেই নয়াপল্টনের আশপাশে যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়৷ আর রাজধানী জুড়ে সৃষ্টি হয় তীব্র যানজট৷
অন্যদিকে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ নেতা ও আইন প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম বলেন যে, বিরোধী দলের গণতান্ত্রিক আন্দোলন কর্মসূচিকে তাঁরা স্বাগত জানান৷ তবে সরকার বিরোধী আন্দোলনের নামে যুদ্ধাপরাধী ও একটি পরিবারের সদস্যদের বাঁচাতে ধ্বংসাত্মক কর্মসূচির ব্যাপরে কোনো ছাড় দেয়া হবেনা বলেও জানান কামরুল ইসলাম৷

পাঠকের মন্তব্য