১৯শে সেপ্টেম্বর সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে পরিকল্পিতভাবে তাণ্ডব
৩০ সেপ্টেম্বর, ২০১১ ১০:৪১ পূর্বাহ্ণ
-

ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, দ্রুত বিচার আইনের মামলার তদন্ত আইন অনুযায়ী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হয়৷ তাই পুলিশ তদন্ত শেষ করে চার্জশিট চূড়ান্ত করেছে৷ তিনি জানান, রিমান্ডে জামাত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে যে ঐ দিন সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে পরিকল্পিতভাবে তাণ্ডব চালায় তারা৷ আর এই পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় নেতারাও জড়িত ছিল৷

গত ১৯শে সেপ্টেম্বর প্রতিবাদ কর্মসূচির নামে রাজধানীতে জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা ব্যাপক তাণ্ডব চালায়৷ গাড়ি ভাঙচুর ছাড়াও, তারা পুলিশের ওপর হামলা করে৷ ঐ দিন পুলিশকে বিভিন্ন ভবনে আশ্রয় নিয়ে আত্মরক্ষা করতে হয়েছিল৷ আর সেই ঘটনায় দ্রুত বিচার আইনে পুলিশ ১২০ জনকে আসামি করে মামলা করে৷ গ্রেফতার করে ১১২ জনকে৷ তাদের মধ্যে জামাত-শিবিরের ৭১ জনকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করা হয়৷ ঢাকা মহানগর পুলিশের মুখপাত্র উপ-কমিশনার মনিরুল ইসলাম জানান, দ্রুত বিচার আইনের মামলার তদন্ত আইন অনুযায়ী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে শেষ করতে হয়৷ তাই পুলিশ তদন্ত শেষ করে চার্জশিট চূড়ান্ত করেছে৷ তিনি জানান, রিমান্ডে জামাত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা গেছে যে ঐ দিন সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে পরিকল্পিতভাবে তাণ্ডব চালায় তারা৷ আর এই পরিকল্পনায় কেন্দ্রীয় নেতারাও জড়িত ছিল৷ তাই জামায়াতে ইসলামির ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম আজহারুল ইসলামসহ ১২০ জন জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশিট প্রস্তুত করা হয়েছে৷

দ্রুত বিচার আইনের মামলার বিচারকাজও শেষ করার বিধান ৩০ দিনের মধ্যে৷ এই মামলায় অভিযোগ প্রমাণ হলে, সর্বনিম্ন ২ বছর থেকে সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে বলে জানান মনিরুল ইমলাম৷ঐ দিনের ঘটনায় জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে রমনা এবং পল্টন থানায় আরো ৩টি মামলা হয়৷ সেই মামলা তিনটিরও তদন্ত দ্রুত এগোচ্ছে বলে জানান মহানগর পুলিশের মুখপাত্র৷

পাঠকের মন্তব্য